তরুনদের বেকারত্ব দুরীকরন ও দেশীয় অর্থনীতি উন্নয়ন সম্ভবনার নতুন মোড়ঃ ই-কর্মাস।

আমাদের দেশের শুরুর ইতিহাসটা আন্দোলন, সংগ্রাম ও রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শুরু হয়ে ১৯৭১ এর রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে বিভিন্ন পটপরিক্রমায় আমাদের দেশের ইতিহাসের সাথে সংগ্রাম কথাটা আঙ্গাআঙ্গিভাবে জড়িয়ে আছে। এখনো সেই সংগ্রামের বীজ রোপিত আছে কোটি মানুষের মননে। তবে হয়ত প্রেক্ষাপটে পরিবর্তন এসেছে। এখনকার সংগ্রামটা অর্থনৈতিক উন্নয়নের।

প্রতিবছর যে দেশে লক্ষ কোটি টাকা পাচার হয়ে যায়, দুঃর্নীতির ভয়াল থাবা তার আগ্রাসন চালায়, রাজনৈতিক অস্থিরতা কিংবা দ্রব্যমূল্যের ক্রমশ উর্ধ্বগতির কারনে সাধারনের নাভিঃশ্বাস উঠে যায়। এতকিছুর পরও দেশের সার্বিক জিডিপি ও উন্নয়ন থেমে নেই। কারন- সেই সংগ্রামী বীজ, যা রোপিত হয়েছিল আজ থেকে ৪৮ বছর আগে। সেই সময়ের তরুনদের সংগ্রামের সম্মুখ নেতৃত্ব প্রদানের মাঝেই দেশের আকাশে উদিত হয়েছিল নতুন এক সূর্য।

বিভিন্ন পরিসংক্ষান ও সমীক্ষা বলছে যে, বর্তমানে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩৮%-৪২% নাগরিকের বয়স ২৫-৩৮ বছরের মাঝে। ২০১১ তে যে সংখ্যা ছিল ২৩%-২৫%। এই বিশাল পরিসরের তরুন ও যুব সমাজকে তার দক্ষতাবৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির চাকা বিপুল পরাক্রমে এগিয়ে নেওয়া যায়। আর ই-কমার্স খাতই পারে স্বল্প সময়ে এই বিশাল তরুন ও যুব’দের স্বপ্নের নতুন দিগন্ত উন্মোচনে।
যদিও বর্তমান সরকার মোটামোটি এই পর্যন্ত এই খাতটিকে সামনে এগিয়ে নিতে যথেষ্ট প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়েছেন, তদুপরি উন্নত বিশ্বের সাথে তালমিলিয়ে দেখলে তা যথেষ্ট ও পর্যাপ্ত নয়। এই পর্যন্ত আমাদের দেশে ই-কর্মাস শিল্পটি যতটুকু এগিয়েছে তা সম্ভবপর হয়েছে কিছু স্বপ্ন-বিলাসী তরুন উদ্যেক্তার কারনে। কেননা আমাদের দেশের তরুনরা এখনো স্বপ্ন দেখতে ভোলে নি।

কিন্তু সূদুরপ্রসারী টেকশই একটি পরিকল্পনাই পারে আমাদের দেশের ভবিষ্যত ই-কর্মাসের যাত্রাপথ মসৃন করতে। ই-কর্মাস শিল্পটিকে তরুনদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে যদিও সরকার নানানমূখী কর্মসূচী ও পদক্ষেপ গ্রহন করছে তদুপরি আমি মনে করি ই-কমার্স শিল্পটিকে সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে এড়িয়ে নিতে এবং নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরীতে সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা অতিব প্রয়োজন। কেননা টেকসই একটি ই-কমার্স বিজনেস প্লাটফর্ম তৈরী ও সেই সাথে আনুসাঙ্গিক গবেষনা ও লোকবল নিয়োগ করে কোন পন্য বা সেবার বাজার উন্মুক্ত করতে গেলে একটি স্টার্টাপের যে পরিমান অর্থ সংস্থানের প্রয়োজন পড়ে তা সবসময়ে তরুনদের মাঝে একা সংস্থান করা সম্ভবপর হয় না। এক্ষেত্রে সরকারের উচিত ই-কমার্স খাতকে বিশেষ বিবেচনায় নিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংক ও প্রাইভেট ব্যাংকগুলোকে বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করা।

ই-কমার্স ক্ষেত্র এখন একটি চারা গাছ, এই খাতকে উপর্যুপরি সঠিক পরিচর্চার মাধ্যমেই এ খাত থেকে সরকার কাংঙ্খিত রাজস্ব আয় সম্ভব।


5 Comments

Hafiz abdullah · July 29, 2019 at 6:21 pm

Our government are going to face a big chlange.

Bilal hafiz · July 29, 2019 at 6:35 pm

Try to post regularly

Jinia Akter · July 29, 2019 at 6:38 pm

Unemployment is raising day by bay here in our country. Bangladeshi young people are taking stress to much to educate his..

Hasan Abed · August 5, 2019 at 4:40 pm

Bangladesh a govment aro efficiently young people der nea cinta kora ochit.

Amjad Hossain · August 5, 2019 at 4:45 pm

E-commerce business is the rising industry now. More youngstar is evolving now in e-commerc. It’s good news for now. But government should pay attantion to educate them.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

en_USEnglish